ইউনূসের প্রেসসচিব সফিকুলের আক্রোশের শিকার হয় বঙ্গভবনের প্রেস উইং

সংবাদ জমিন,অনলাইন ডেস্ক:
ইউনূসের প্রেসসচিব সফিকুলের আক্রোশের শিকার হয় বঙ্গভবনের প্রেস উইং। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাংবাদিকদের একটি সৌজন্য সাক্ষাৎকে কেন্দ্র করে তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিবের আক্রোশের কবলে পড়ে বঙ্গভবনের প্রেস উইং। বঙ্গভবনে বর্তমানে কোনো প্রেস উইং নেই। ওই সময় এখান থেকে গোটা প্রেস উইং প্রত্যাহার করে নেয় বলে অভিযোগ করেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।

রাষ্ট্রপতি জানান, তাঁকে অপমান ও একঘরে করে রাখার ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে বঙ্গভবনের প্রেস উইং কার্যত অচল করে দেওয়া হয়। তিনি বলেন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নির্বাচনে বিজয়ের পর নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যরা সৌজন্য সাক্ষাতে বঙ্গভবনে আসেন। সাংবাদিকবান্ধব মানুষ হিসেবে স্বাভাবিকভাবেই তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। রাষ্ট্রপতির ভাষায়, সেটি ছিল একেবারেই সাধারণ একটি সাক্ষাৎ, সংক্ষিপ্ত কথাবার্তা ও একটি ফটোসেশনেই তা শেষ হয়।

কিন্তু পরদিন কয়েকটি পত্রিকায় সেই খবর ছবিসহ প্রকাশ হলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে নেয়নি। রাষ্ট্রপতি জানান, এরপর জোর করে খোঁজা শুরু হয় বঙ্গভবনের প্রেস উইংয়ের কে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত। তাঁর ভাষায়, বাস্তবে প্রেস উইংয়ের কেউই এই কাজ করেননি; তিনি নিজেই সাংবাদিকদের চিঠি পেয়ে তাদের বঙ্গভবনে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও, রাষ্ট্রপতির অভিযোগ, নির্লজ্জভাবে প্রেস সেক্রেটারি, ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি ও অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রেস সেক্রেটারিসহ তিনজনকে একযোগে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

শুধু তাই নয়, দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে দায়িত্ব পালন করা দুইজন ফটোগ্রাফারকেও সরিয়ে নেওয়া হয়। এর মাধ্যমে পুরো প্রেস উইং কার্যত ভেঙে দেওয়া হয়। রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্তমানে বঙ্গভবনে কার্যকর কোনো প্রেস উইং নেই। এর ফলে রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে কোনো প্রেস বিজ্ঞপ্তি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তাঁর ভাষায়, এমনকি জাতীয় ক্রিকেট দল কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ জিতলেও রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানিয়ে একটি সাধারণ প্রেস বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার সুযোগও নেই।

শিরোনাম