কাঠ মিস্ত্র্রী ধনঞ্জয় সরকার এখন সফল ফার্ণিচার ব্যবসায়ী

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
অর্থাভাবে লেখাপড়া তেমন আর হয়ে উঠেনি।তাইতো জীবন ও পরিবারের জীবিকার তাগিতে কাঠ মিস্ত্রী কাজে যোগ দেয়া।কাঠমিস্ত্রী থেকে ধীরে ধীরে হয়ে ্উঠলেন সফল ফার্ণিচার ব্যবসায়ী।এখন ধনঞ্জয়ের ঘরে অভাব আর হাতছানি দেয় না।সফল এ ব্যবসায়ীর বাড়ি মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার তালেবপুর ইউনিয়নের রাজেন্দ্র্রপুর গ্রামে। তার পিতার নাম প্রয়াত নারায়ণ সরকার।তার ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স বাঁধন ফার্ণিচার’ সিংগাইর পৌরসভার ভাষা শহীদ রফিক স্মরণীতে অবস্থিত।

সংগ্রামী ধনঞ্জয় উপজেলার বিভিন্ন স্থান ও ঢাকার আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের পাশে আশকোনা এলাকায় ৫-৬ বছর কাঠ মিস্ত্রী হিসেবে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। সফলতার পূূর্ণাঙ্গ রুপ দিতে তিনি স্থির করেন ফার্ণিচার ব্যবসা করবেন।কিন্তু ব্যবসা শুরু করতে এত অর্র্থ পাবেন কোথায়? ধনঞ্জয় তাই প্রথমে ছোট আকারে পৌরসভার গার্লস স্কুল সড়কের পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের নিকটে বীর মুক্তিযোদ্ধা সামছুল আলমের বাড়ি ভাড়া নিয়ে নিজে ফার্ণিচার তৈরি করে বিক্রি শুরু করেন।শুরু হয় ব্যবসায়ী জীবনের পথচলা। এ বাড়িতে ২০০০ সাল থেকে ব্যবসা শুরু করলেও পরবর্তীতে ‘মেসার্স বাঁধন ফার্ণিচার’ নাম দিয়ে শহীদ রফিক স্মরণীতে দোকান ভাড়া নিয়ে ব্যবসা শুরু করে।বর্তমানে ভাষা শহীদ রফিক স্মরণীর দক্ষিণ দিকে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। শো-রুমের পিছনে রয়েছে কারখানা।কারখানার উৎপাদিত বিভিন্ন ক্যাটাগরির মালামাল শো-রুমে শোভা পাচ্ছে। হরেক রকমের মালামাল দেখে মুগ্ধ হচ্ছে ক্রেতাসাধারণ।ধনঞ্জয় জানান, আমি জিরো থেকে হিরো হয়েছি।সংগ্রামী চেতনা থাকলে সবই সম্ভব।আমার জন্য দোয়া করবেন।

শিরোনাম