নিজস্ব প্রতিবেদক:
খলিলুর রহমানকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিয়োগ করায় বিব্রত বিএনপির নেতা-কর্মীরা। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় সবচেয়ে বড় চমক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন ড. খলিলুর রহমান। অন্তর্বর্তী সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার পদ থেকে সরাসরি তারেক রহমানের রাজনৈতিক সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে তাঁর এই অভিষেক রাজনৈতিক অঙ্গনে বিস্ময় ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। নির্বাচনের ‘রেফারি’র ভূমিকা পালনকারী প্রশাসনের একজন সদস্যের এভাবে সরাসরি বিজয়ী দলের নীতি-নির্ধারণী পদে চলে আসাকে অনেকেই ‘স্বার্থের সংঘাত’ হিসেবে দেখছেন।
খোদ বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের অনেক নেতাই এই নিয়োগে বিব্রত। দলটির কেন্দ্রীয় একাধিক নেতা স্বীকার করেছেন যে, খলিলুর রহমান তাঁদের সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাবেন এমনটি তাঁদের কল্পনাতেও ছিল না। গত ১৮ মাসের অন্তর্বর্তী শাসনামলে রোহিঙ্গা ইস্যু থেকে শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নানা বিষয়ে খলিলুর রহমানের কড়া সমালোচনা করেছেন খোদ বিএনপি নেতারাই। এমনকি ২০২৫ সালের মে মাসে বিএনপির সিনিয়র নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেন সংবাদ সম্মেলন করে তাঁর পদত্যাগ পর্যন্ত দাবি করেছিলেন। অথচ আজ সেই নেতিবাচক ভাবমূর্তি মুছে দিয়ে তিনি এখন সরকারের অন্যতম প্রধান মুখ।