বিশেষ প্রতিনিধিঃ
ফ্ল্যাট থেকে গৃহবধূর লাশ ও আহত স্বামীকে উদ্ধার। গাজীপুরে গৃহবধূ রহিমা আক্তারের (৩৪) গলা কাটা লাশ ও স্বামী এমরান হোসেনকে (৩৮) আহত অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। আহত এমরানকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শনিবার (১৫ নভেম্বর) ভোরে মহানগরী কোনাবাড়ী (বাইমাইল) এলাকার একতা টাওয়ারের পঞ্চম তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে। এ ঘটনায় এক কিশোরীকে আটক করা হয়েছে। নিহত রহিমা (৩৫) ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার আমতলি গ্রামের সুরুজ আলীর ছেলে এমরানের স্ত্রী। রহিমা স্থানীয় পোশাক কারখানায় চাকরি করলেও বর্তমানে বাসায় থাকতেন এবং এমরান পেশায় কসাই ছিলেন। এমরান স্ত্রী রহিমা ও সৎ মেয়ে শারমিনকে নিয়ে একতা টাওয়ারের পঞ্চম তলার একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করতেন। এটি তাদের দুই জনেরই দ্বিতীয় বিয়ে ছিল।
পুলিশের একটি সূত্র জানায়, এমরানের আগের ঘরের কিশোরী মেয়ে (১৬) তার বাবার সঙ্গে এবং তার দুই বন্ধু একই ফ্ল্যাটের পাশের কক্ষে থাকতো। তারা টিকটক করতো। ঘটনার পর তার দুই বন্ধুর কাউকে বাসায় পাওয়া যায়নি। কেউ কেউ বলছেন, শুক্রবার গভীর রাতে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা তাদের বাসায় ঢুকে এমরান ও রহিমাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়। এ সময় ঘটনাস্থলেই রহিমার মৃত্যু হয় এবং তার স্বামী আহত হয়।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) কোনাবাড়ী থানার ওসি মোহাম্মদ সালাউদ্দিন জানান, লাশ উদ্ধারের পর ওই ফ্ল্যাটে তল্লাশির সময় এমরান হোসেনের পালস পাওয়া গেলে তাকে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহত রহিমার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। আটক মেয়েকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।