নিজস্ব প্রতিনিধি:
ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ তুলে দুই পুলিশ সদস্যকে মারধর,আটক-২। বগুড়ার ধুনটের হুকুম আলী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় চেকপোস্ট চলাকালে মব সৃষ্টি করে ট্রাফিক পুলিশের কাজে বাধা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির চেষ্টায় জড়িত দুই জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এক মোটরসাইকেল চালকের কাছে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে বিক্ষুব্ধ জনতা সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে দুই পুলিশ কনস্টেবলকে মারধর করেছিল। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে দুই জনের নাম উল্লেখ করে ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) আতাউর রহমান মঙ্গলবার সকালে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য দিয়ে পুলিশের ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেন। ডিবি ও থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে গ্রেফতার দুই জন হলেন- বগুড়ার ধুনট উপজেলার মাটিকোড়া গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে মাসুদ রানা (২৫) ও একই উপজেলার চরপাড়া গ্রামের মৃত আবদুল মান্নানের ছেলে শাহিনুর জামাল গোলাপ (৪৫)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বগুড়া ট্রাফিক পুলিশের টিএসআই আবুল কালাম আজাদের নেতৃত্বে সোমবার সকালে ধুনট উপজেলার হুকুম আলী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় চেকপোস্ট বসানো হয়। সেখানে তার সঙ্গে ধুনট থানার কনস্টেবল আবদুল খালেক ও আবদুল হামিদ ছিলেন। চেকপোস্ট থেকে ধুনট-শেরপুর সড়কে চলাচলকারী মোটরসাইকেলের কাগজপত্র যাচাই করা হচ্ছিল। বেলা ১১টার দিকে একটি মোটরসাইকেলের চালকের হেলমেট না থাকায় তার বিরুদ্ধে টিএসআই আবুল কালাম আজাদ মামলা দেন। একই সময় কনস্টেবল আবদুল খালেক একটি মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে চালকের কাছ থেকে এক হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে তাকে ছেড়ে দেন বলে অভিযোগ ওঠে। ঘুষ নেওয়ার বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় জনগণ বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।
তারা কনস্টেবল আবদুল খালেক ও আবদুল হামিদকে মারধর করতে থাকেন। এ সময় উত্তেজিত জনতা পুলিশ সদস্যদের ঘেরাও করে রাখেন। খবর পেয়ে ধুনট থানার এসআই মোস্তাফিজার রহমান ঘটনাস্থলে পৌঁছেন। তিনি প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।