সংবাদ জমিন ডেস্কঃ
আওয়ামী লীগ নেতা হারাধন রায়ের মৃতদেহ গলায় রশি দিয়ে বেঁধে আধা কিলোমিটার দুরে রংপুর সিটি করপোরেশন কার্যালয়ের সামনে ওভার ব্রীজের নীচে ৫ ঘন্টা ধরে ফেলে রেখে উল্লাস করা হচ্ছিলো বলে অভিযোগ স্বজন ও আওয়ামী লীগ নেতাদের। লাশটি উদ্ধারের কোন পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছেনা বলেও অভিযোগ তাদের।
বদরগজ্ঞ উপজেলা সদরে রংপুর-২ আসনের এমপি ডিউক চৌধুরী , বদরগজ্ঞ পৌরসভার মেয়র টুটুল চৌধুরী , উপজেলা যুবলীগ নেতা ও উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলে রাব্বি সুইট , যুবলীগ নেতা পুলিন চৌধুরীর বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও মালামাল লুট হয়েছে।
একই ভাবে মিঠাপুকুর উপজেলার ইউএনও কার্যালয় , সাবেক এমপি আশিকুর রহমানের বাড়ি সহ বেশ কয়েকটি সরকারী অফিস ভাংচুর ও আগুন দেয়া হয়েছে। পীরগজ্ঞ উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আগুন এবং প্রেসক্লাবের সামনে রাখা ১১টি মটর সাইকেল জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে।গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তার কার্যালয়ে আগুন, মালামাল ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়েছে। আর গঙ্গাচড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। সেখানে থাকা ৬টি মটর সাইকেলও জালিয়ে দেয়া হয়েছে। নগর জুড়ে ব্যাপক সহিংস ঘটনা ঘটেছে।
সকাল থেকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা রংপুর নগরীর টাউন হল চত্বরে সমবেত হতে থাকে অপরদিকে ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতা কর্মীরা নগরীর জাহাজ কোম্পানী এলাকায় অবস্থান নেয়। দুপুর ১১টার দিকে দুপক্ষই পরস্পরের বিরুদ্ধে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করলে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এক পর্যায়ে সংঘর্ষ সিটি বাজার থেকে শুরু করে জাহাজ কোম্পানী এলাকা পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার এলাকা ব্যাপি ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে পিস্তল সহ দেশী অস্ত্র ব্যাবহার করতে দেখা গেছে।