সংবাদ জমিন ডেস্কঃ
বঙ্গবন্ধুর ৩২ নম্বর,এ যেন ৭৫ এর পুনরাবৃত্তি।গন্তব্যস্থল জানাতেই রিকশাচালক বললেন, ‘৩২ নম্বরে যাওয়া যাইবে না। খুব গ্যাঞ্জাম। আগে নাইম্যা যায়েন।’ আজ বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি শপিং মলের উল্টো দিক থেকে রিকশায় চড়লাম। রিকশাচালকের বাড়ি দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে।
রাস্তাঘাট অনেকটা ফাঁকা। এর মধ্যে চলছে কিছু রিকশা ও যানবাহন। পান্থপথ মোড় পার হতেই রাস্তার উল্টো দিক থেকে বিএনপির একটি মিছিল আসছিল। সেখানে আওয়ামী লীগবিরোধী স্লোগান। শ পাঁচেক তরুণ আছেন মিছিলটিতে। অনেকেরই হাতে লাঠি ও সবুজ রঙের প্লাস্টিকের পাইপ। সেগুলোর কোনো কোনোটির মাথায় জাতীয় পতাকা।
রাস্তার দুই পাশে অনেক স্থানে লাঠি নিয়ে তিন থেকে চারজনের ছোট ছোট দল বসে বা দাঁড়িয়ে আছে। ৩২ নম্বরের আগে যেতেই কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী থামালেন। সেটা স্কয়ার হাসপাতালের উল্টো দিকে। তাঁদের প্রত্যেকের কথা, ৩২ নম্বরে যাবেন না। গণমাধ্যমকর্মীদেরও সেখানে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে একজন ছাত্রদল কর্মী। তিনি বললেন, ‘গতকাল সারা রাত আমরা ৩২ নম্বরে ছিলাম। আমাদের সেখানে থাকতে বলা হয়েছিল। পরে ভোরের দিকে চলে আসি। এরপর জায়গাটা চলে যায় জামায়াত-শিবিরের হাতে। সংবাদপত্রের লোকদের ওপর আমাদের কেউ হামলা করেনি।’