নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই এটি একটি স্কুল ভবন। খাবারের দোকান বা মার্কেট বলাটাই ঠিক হবে। রেস্টুরেন্টের চকচকে এক সাইনবোর্ড লাগানো আছে ভবনের গায়ে। নাম ভোজন বিলাস। যেটি ভবনের পরিচয় তুলে ধরছে। আর ভবনের দোতলা বরাদ্দ কমিউনিটি সেন্টারের জন্যে। এটিও বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ভাড়া দেয়ার জন্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জের রওশন আরা জলিল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪তলা একটি ভবনের নিচতলা ও দোতলার এই হচ্ছে বাণিজ্যিক ব্যবহারের চিত্র। এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা একটি চিঠি দিলেও সেটি আমলে নেয়নি বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ। আশুগঞ্জ সোনারামপুর মৌজার ১৯০ দাগের ৯০ শতক খাস জমিতে ১৯৮৩ সালে এই বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়।
বিদ্যালয়ের ওই জায়গাতে একটি পেট্রোল পাম্পও রয়েছে। বিদ্যালয়টির বর্তমান ছাত্রীসংখ্যা প্রায় ১৫শ’। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শওকত আকবর খান জানান, কোনো স্কুল ভবনে বাণিজ্যিক কোনো কিছু করা যাবে না বলে সরকারের নির্দেশনা রয়েছে। সেই আলোকে আমি তাদেরকে এ ব্যাপারে ৫-৬ মাস আগে চিঠি দিয়েছি। তারা চিঠির রেসপন্স করেনি।ছবি-প্রতিকী