সম্পাদকীয়:
#জীবনে এমন দৃশ্য দেখতে হবে ভাবিনি।জীবনে কত লেখাই না লিখেছি, চোখ দিয়ে এমন জল গড়িইনি।ঝাপসা দেখছি। যতদূর মনে পড়ে মার মৃত্যুর পর আমার পত্রিকার ১ম সংখ্যায় মাকে নিয়ে একটি কলাম লিখে ছিলাম। সেই লেখা লিখতে গিয়ে অঝোরে কেদে ছিলাম। আজও তেমনটি হচ্ছে। যা হোক ফিরে আসি আমার বন্ধুর কথায়।মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী জয়মন্টপ উচ্চ বিদ্যালয়ের “৯৩” ব্যাচের স্বনামধন্য তারকা ছাত্র হারুন অর রশিদ। সব ক্লাসেই ১ম বয় ছিলেন। কৃতিত্বের সাথে এসএসসি,এইচএসসি পাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যায় থেকে সফলতার সাথে মাস্টার্স শেষ করেন। আদর্শ বাস্তবায়ন সংগঠন(আবাস) এর প্রতিষ্ঠাতা আহবায়ক ছিলেন তিনি। চাকরি জীবন শুরু করেন প্রাথমিক সহকারি শিক্ষা অফিসার দিয়ে। একজন গুষ,দুর্নীতিমুক্ত অফিসার ছিলেন।
আজকাল ঘুষ,দুর্নীতিমুক্ত অফিসার মেলা ভার।সৎ টাকায় সংসার চালানো,সন্তানদের মানুষ করা,অসুস্থ স্ত্রীর চিকিৎসার ব্যয়ভার,সবকিছু মিলিয়ে কষ্টসাধ্য জীবন অতিবাহিত করা ছিল তার নিত্যদিনের সঙ্গী। তার উপর নিজেই পড়ে গেলেন মারাত্মক অসুখে। আমার কষ্ট হয় এটা ভেবে যে,বিধাতা কেন সৎ,আদর্শ মানুষগুলোকে এত কষ্ট দেন? দয়ার সাগর হয়ে কেন ওনি দয়া করেন না। আমার বিশ্বাস হারুন সুস্থ হয়ে আবার আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন। তার হাসিমাখা মুখখানি আবার দেখবো। হৃদয়টা খুশিতে ভরে যাবে। হারুন হচ্ছে আমাদের আলো।যে আলো কখনো নিভে না,নিভবার নয়। আর তাই যদি হয়, তাহলে বলবো বিধি তুমি তোমার বিধান ভঙ্গ করেছো। পরিশেষে আমার বন্ধু হারুনের জন্য ভিক্ষা স্বরুপ সকলের নিকট দোয়া ও আশীর্বাদ কামনা করছি।