শরৎ আসে,কাশফুল হাসে

সংবাদ জমিন,অনলাইন ডেস্কঃ
শরৎ আসে,কাশফুল হাসে। যেন হাতছানি দেয় শরৎ এসে গেছে। স্বচ্ছ নীল আকাশ। তাতে উড়ে বেড়ায় সাদা মেঘ। মেঘ ও আকাশের সাথে কাশফুলের নিবির সখ্যতা। আর নদীর জলে স্পষ্ট প্রতিবিম্ব দেখা যায়। প্রতিফলনে দেখা দেয় প্রতিচ্ছবি। দুই ধারে ফোটা সাদা কাশফুল হাওয়া-বাতাসে দৌল খায়। নদীর বুকে পালতোলা নৌকা। গলা ছেড়ে গেয়ে ওঠেন মাঝি-মাল্লারা। কখনো ভাটিয়ালি,আবার কথনো পল্লীগীতি।

শরতে কাশফুল ছাড়াও খাল-বিলে-ঝিলে এ সময় ফোটে কত শাপলা ফুল। বাড়ির আঙিনায় ঝরে পড়ে শিউলি ফুল। বাংলার প্রকৃতি অপরূপ রূপে সাজে এই সময়। জানিয়ে দেয় শরৎকাল ঋতুর রানি। কবি, শিল্পী, সাহিত্যিকেরা এই রূপের মাধুরী ফুটিয়ে তোলেন কবিতা, রংতুলি আর কথামালায়। কথা মালার গাথুনি গাথার এইতো সময়।

ভাদ্র-আশ্বিন মিলে ঋতুর রানি শরৎকাল। আকাশে উড়ে বেড়ানো মেঘ বৃষ্টি হয়ে ঝরে পড়ে। আবার পরক্ষণেই ঝিলিক দিয়ে ওঠে সোনা রোদ। নদীর ওপারে দিগন্তের কাছে ফুটে ওঠে রংধনু। আর তখন নীলাকাশে উড়ে বেড়ায় সাদা মেঘের ভেলা। যে ভেলায় ভাসতে মন আমার উতলা তখন।

মানিকগঞ্জে পদ্মা, যমুনা, ধলেশ্বরী, ইছামতী আর কালীগঙ্গা নদীর বিস্তীর্ণ জলরাশিতে স্পষ্ট হয় নীলাকাশের প্রতিচ্ছবি। যে প্রতিচ্ছিবি কথা বলে প্র্রকৃতির সাথে,নিবিড় আলাপনে। তখন নীলিমায় হারিয়ে যেতে চায় মন। যাক,যাক না মন আমার সেথায়।

শিরোনাম