মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি:
মানিকগঞ্জের সিংগাইরে যুবলীগ নেতাকে ছেড়ে দিয়েছে সিংগাইর থানার বিদায়ী ওসি জেওএম তৌফিক আজম। আওয়ামী সময়ে প্রভাব বিস্তারকারী এ যুবলীগ নেতা কিভাবে ছাড়া পেলেন তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় চলছে।
জানা গেছে,উপজেলা যুবলীগের অর্থবিষয়ক সম্পাদক ও জামির্ত্তা ইউনিয়নের মধুরচর গ্রামের বাসিন্দা এবং সাহরাইল বাজারে স্যানিটারি ব্যবসার মালিক রুহুল আমিনকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাশকতার অভিযোগে গ্রেফতার করে থানার এসআই জসিম। পরে ওসির দেন-দরবারে ছাড়া পায় ওই যুবলীগ নেতা। কোন কোন সংবাদ মাধ্যমে ফলাও করে উৎকোচের মাধ্যমে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে বলে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। আর এ উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগের তীর বিদায়ী ওসি জেওএম তৌফিক আজমের বিরুদ্ধে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান,পতিত সরকারের সময় রুহুল আমিন প্রভাবশালী নেতা। তার বিরুদ্ধে টুঁ-শব্দটি করার সাহস পেত না কেউ। এ নেতা কিভাবে এখনো দিব্যি ঘুরে বেড়ায় তা নিয়ে জনমনে যত প্রশ্ন?
এ ব্যাপারে এসআই জসিম সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, আমি অনেক কষ্ট করে তাকে ধরেছিলাম এবং মামলার প্রস্তুতিও চলছিল। কিন্তু পরে ওসি স্যার তাকে ছেড়ে দেন। ওসি স্যার বললো,আমেরিকা থেকে একজন সাংবাদিক ফোন করে তাকে ছেড়ে দিতে অনুরোধ করেছেন। এদিকে আটকের বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমকে রুহুল আমিন জানান, ওসি সাহেব আমাকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন, তাই গিয়েছিলাম, পরে ওসি সাহেব একটা বিষয়ে কথা বলে আমাকে ছেড়ে দেন।
এ বিষয়ে ওসি জেওএম তৌফিক আজমের নিকট আর্থিক লেন-দেন বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, আপনারা আমার বক্তব্য উল্লেখ করবেন না, যিনি গ্রেপ্তার করেছেন তার বক্তব্য উল্লেখ করুন। এ বিষয়ে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সিংগাইর সার্কেল) ফাহিম আসজাদদের কাছে জানতে চাইলে তিনি সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, এ বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই, আপনি থানায় কথা বলুন। উল্লেখ্য, ওসি জেওএম তৌফিক আজম সিংগাইর থেকে বদলি হয়ে এখন টাঙ্গাইলের কালিহাতি থানায় যোগদান করেছেন। ছবি-সংগৃহীত