সিংগাইরে বিভিন্ন সড়কের বেহাল দশা, দুর্ভোগ চরমে

সাইফুল ইসলাম,সিংগাইর(মানিকগঞ্জ) থেকে:
মানিকগঞ্জ সিংগাইরের বিভিন্ন সড়ক খানা-খন্দে পরিণত হয়েছে।দীর্ঘ দিন ধরে এসব সড়ক গুলো মেরামত কিংবা সংস্কার না করার কারণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঐসব সড়ক দিয়েই চলাচল করছে পথচারী ও যানবাহন। নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার ও তদারকি ত্রুটি জনিত কারণে কয়েক বছরের মাথায় খানাখন্দে পরিণত হয়ে যাচ্ছে এসব সড়কগুলো।ফলে প্রতিনিয়তই ছোটবড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে। ।

উপজেলা এলজিইআরডি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ১১টি ইউনিয় ও ১টি পৌরসভার লোকজন উপজেলা সদর , জেলা সদর ও রাজধানী ঢাকার সাথে সহজে যোগাযোগের কথা চিন্তা করে বিভিন্ন পাকা রাস্তা নির্মাণ করেন সরকার। এসব পাকা সড়ক গুলোর মধ্যে অধিকাংশ রাস্তার পিচঢালাই উঠে গিয়ে খানা-খন্দ সৃষ্টি হয়ে মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। আর ঐসব রাস্তা দিয়েই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন মানুষ যানবাহনযোগে চলাচল করছে। এসব সড়ক গুলোর মধ্যে উপজলার বায়রা ইউনিয়নের চরজামালপুর,গাড়াদিয়া টু চারাভাঙ্গা সড়ক, ধল্লা ইউনিয়নের ভুমদক্ষিণ, খাসেরচর-ভাটিরচর সড়ক,জামির্ত্তার চাপরাইল সড়ক,চান্দহর ইউনিয়নের মানিকনগর টু সিরাজপুর সড়ক,জয়মন্টপ ইউনিয়নের বাহাদিয়া-দশানি সড়ক, তালেবপুর ইউনিয়নের ইসলামনগর টু কাংশামোড় সড়ক,বলধারা ইইনিয়ন পরিষদ টু আমতলা , নবগ্রাম নিলাম্বরপট্টি,বেগুনটিয়ারি, জামশার সারারিয়া এর একাধিক সড়ক,পিচ ঢালাই ও খোয়া উপরে গিয়ে বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে।

এসব পাকা সড়ক গুলোর ইট,বালু,পিচ উপরে গিয়েে একেবারে নাজুক অবস্থায় পরিণত হয়েছে। জীবন জীবিকার তাগিদে ঝুঁকি নিয়ে মানুষ হাট, বাজার, অফিস আদালত ও শিক্ষার্থীরা স্কুল,কলেজে ঝুঁকি নিয়েই ঐসব রাস্তা দিয়ে চলাচল করছে । এছাড়া প্রতিনিয়ত ইট,বালু,সিমেন্ট ও অন্যান্য মালামাল বোঝাই ভারী যানবাহন ঝুঁকিপূর্ণ রাস্তা দিয়ে চলাচল করছে। খানাখন্দ সড়ক মেরামত না করলে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে,ঝরতে পারে তাজা প্রাণ।

বায়রা ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক আরব আলী সরকারি বলেন, বায়রা টু চারাভাঙ্গা সড়ক অনেক বছর ধরে খানাখন্দে ভরা। জনপ্রতিনিধিদের কোন দায়িত্ব নেই। কলেজের শিক্ষার্থীদের চলাচলে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। হ্যালোবাইক চালক মফেজ বলেন রাস্তা ঘাট ভাঙ্গা চোরা হওয়াতে যাত্রী বেশি হয় না। আর যন্ত্রপাতি লাগাইয়া সারতে পারি না। যে টাকা কামাই তা পার্টসেই চলে যায়।

রাম কান্তপুর কলেজ ছাত্র মিঠু বলেন,এই সড়ক দিয়ে হাসপাতাল, হাট বাজার,অফিস আদালতে যাওয়ার জন্য চলাফেরা করে। কিন্ত সড়ক বেহালদশা হওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে জনগণের । উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আশরাফুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, ইতিমধ্যে কিছু রাস্তা সংস্কারের কাজ শেষ হয়েছে। বাকী সড়কের কাজ জরুরি ভিত্তিতে মেরামত করা হবে।

শিরোনাম