স্ত্রী ও পরকীয়া প্রেমিকের হাতে হত্যার শিকার হন নয়ন

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
স্ত্রী ও পরকীয়া প্রেমিকের হাতে হত্যার শিকার হন নয়ন। নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় দুই পা বিচ্ছিন্ন অবস্থায় প্লাস্টিকের ড্রামের ভেতর থেকে মো. নয়নের (৪৯) লাশ উদ্ধারের ঘটনার বিস্তারিত জানিয়েছে পুলিশ। নয়নের স্ত্রী সাবিনা আক্তার ও তার প্রেমিক রাসেল মিলে তাকে হত্যা করে লাশ গুম করেন। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সাত জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার (৮ অক্টোবর) বিকালে নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার আরো বলেন, ‘নয়ন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক ছিলেন। পাশাপাশি মাদক ব্যবসায় জড়িত ছিলেন। তার দুই স্ত্রী। দ্বিতীয় স্ত্রীর আগের সংসারে দুই মেয়ে আছে। পাঁচ-ছয় বছর আগে সাবিনাকে বিয়ে করেন। তিন বছর আগে নয়ন একটি মাদক মামলায় কারাগারে যান। এ সুযোগে সাবিনার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে রাসেলের। গত ১৯ সেপ্টেম্বর নয়ন জামিনে মুক্তি পান। পরে সাবিনার বাড়িতে গিয়ে রাসেলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের কথা জানতে পারেন। এ নিয়ে সাবিনাকে জিজ্ঞাসা করলে তাদের বিরোধ দেখা দেয়। তখন হত্যার পরিকল্পনা করেন সাবিনা ও রাসেল। পরিকল্পনা অনুযায়ী ৫ অক্টোবর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সাবিনার ভাড়া বাসায় যান রাসেল। এ নিয়ে নয়ন ও রাসেলের বাগবিতণ্ডা হয়। তখন বাসায় সাবিনা ও দুই মেয়ে ছিলেন। একপর্যায়ে সাবিনা ও রাসেল বাসার একটি কক্ষে নয়নকে আটকে ফেলেন। এ সময় লোহার রড দিয়ে মাথায় আঘাত করে ধারালো ছোরা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা নিশ্চিত করেন তারা।’

মামলায় গ্রেফতারকৃতরা হলেন,নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী সাবিনা আক্তার (৪০), তার দুই মেয়ে সুমনা আক্তার (২০), সানজিদা আক্তার (১৮), সাবিনার প্রেমিক রাসেল ওরফে ঠোঙ্গা রাসেল (৪৫), তার সহযোগী চয়ন (৩৮), মানিক (৩২) ও জুয়েল (৩০)।

শিরোনাম