সংবাদ জমিন,অনলাইন ডেস্কঃ
মসৃণ, স্বাস্থ্যকর ও উজ্জ্বল চুল পেতে আমরা নানা ধরনের যত্ন নিই- শ্যাম্পু, কন্ডিশনার, তেল মালিশ ইত্যাদি। কিন্তু দৈনন্দিন দূষণ, রোদ, ধুলাবালি, স্ট্রেস, এবং কেমিক্যাল ট্রিটমেন্ট চুলের ভেতরের স্বাস্থ্য নষ্ট করে দেয়। তাই শুধু বাহ্যিক যত্ন নয়, চুলের গভীর পুষ্টির জন্যও প্রয়োজন বিশেষ সেবা- হেয়ার স্পা।
১. গভীরভাবে চুল ও স্ক্যাল্পে পুষ্টি জোগায়
হেয়ার স্পা মূলত চুল ও মাথার ত্বকে গভীরভাবে পুষ্টি যোগায়। এতে ব্যবহৃত মাস্ক ও সিরাম চুলের শিকড়ে প্রোটিন, ভিটামিন ও আর্দ্রতা সরবরাহ করে, যা শুষ্ক ও ক্ষতিগ্রস্ত চুলকে পুনর্জীবিত করে।
২. স্ট্রেস ও টেনশন দূর করে
হেয়ার স্পার অন্যতম ধাপ হলো মাথার ম্যাসাজ। এটি রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, স্নায়ুকে প্রশান্ত করে এবং স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে। মানসিক চাপ কমলে চুল পড়াও কমে আসে।
৩. চুল পড়া ও ভাঙন প্রতিরোধ করে
নিয়মিত হেয়ার স্পা চুলের শিকড় মজবুত করে। ফলে চুল পড়া, ডগা ফাটা ও ভেঙে যাওয়া কমে যায়। এতে চুলের ঘনত্ব ও শক্তি দুটোই বৃদ্ধি পায়।
৪. স্ক্যাল্পের সমস্যা সমাধান করে
খুশকি, চুলকানি, অতিরিক্ত তেল বা শুষ্কতা-এসব সমস্যা সমাধানে হেয়ার স্পা বেশ কার্যকর। এটি স্ক্যাল্পের পিএইচ ব্যালান্স ঠিক রাখে এবং মৃত কোষ দূর করে।
৫. রঙ করা বা কেমিক্যাল ট্রিটমেন্টের ক্ষতি মেরামত করে
কালার, হাইলাইট বা স্ট্রেটেনিং-এর পর চুল দুর্বল হয়ে পড়ে। হেয়ার স্পা এসব কেমিক্যালের ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে চুলকে নরম ও মসৃণ করে তোলে।
হেয়ার স্পা কতদিন পরপর করবেন?
সাধারণত মাসে একবার হেয়ার স্পা করলেই চুলের স্বাভাবিক স্বাস্থ্য বজায় থাকে।
যদি চুল রঙ করা বা কেমিক্যাল ট্রিটমেন্ট করা হয়, তবে মাসে ২ বার করা ভালো।
স্পা শেষে অন্তত ২-৩ দিন শ্যাম্পু এড়িয়ে চলুন, যাতে পুষ্টি চুলে ভালোভাবে শোষিত হয়।